পুরাতন সংবাদ: March 3rd, 2017

গোলাপগঞ্জে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ॥ ২০১৭ সালের ভেতরে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারে কোন ঘর বিদ্যুৎ বিহীন থাকবে না

গোলাপগঞ্জ থেকে সংবাদদাতা :
গোলাপগঞ্জে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত Mins-3হবে। এক সময় এ দেশে গরীব মিছকিন, ভিক্ষুক থাকবে না। সকলই নিজের পায়ে দাঁড়াবে। কারো কাছে হাত পাততে হবে না। নিজেদের পাড়া মহল্লা থেকে বিস্তারিত

অগ্নি ঝরা মার্চ, স্বাধীনতার ইশতেহার সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে

জেড.এম. শামসুল :
অগ্নি ঝরা ৪ মার্চ আজ। ২ মার্চের স্বাধীনতার ইশতেহার দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
untitled-22_23530আন্দোলন মুখর দিনগুলোর মধ্যে আজ ফের দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন অব্যাহত ছিল। ২মার্চ পল্টন ময়দানে ঘোষিত স্বাধীনতার বিস্তারিত

তোমার ছায়ায় রেখো

তারেক লিমন

এপার ওপার
তোমার ছায়ায় রেখো
খোদা তোমার যখন ইচ্ছে
তখন আমায় ডেকো,

মরণ আসবে বলেই আমি
তৈরি সদাই থাকি
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু
মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ নামে
ডাকি……।।

বাবা

হাজেরা সুলতানা হাসি

বাবা!
তুমি আমার জীবনে চলার পথে
অন্য এক প্রেরণা,
সর্বক্ষেত্রে তোমার উৎসাহ
দিয়েছে আমায় চেতনা।

আমি যবে সাহস হারিয়ে
হতাম অসহায়
সাহস যুগিয়ে তুমিই আমার
হয়েছ সহায়।

আমার এই ছোট জীবনে
তুমি অনন্য এক আলো
তাই তো বাবা কেবলই তোমায়
বেসেছি আমি ভালো।

ভুলা যাবে না কভু বাবা
বিশাল অবদান তোমার
বাবা আমার গর্ব গৌরব
আমার অহংকার।

সেদিন আমায় খুঁজবে

শফিক তপন

যেদিন আমি
মরে থাকবো পড়ে তোমার পথের ধারে,
সেদিন তুমি
বুঝবে মোরে খুঁজবে কাঁদবে বারে বারে।

বলবেনা কেউ
এস চাঁদনী রাতে গায়ে জোছনা মাখি,
কাজল দিয়ে
সাজিয়ে দিবে না কেউ ঐ দুটি আঁখি।

লিখবেনা কেউ
কবিতা মিশিয়ে তোমার মনের মাধুরী,
আমাকে ছাড়া
তোমার জীবন নির্লিপ্ত এবং আধুরী।

চিরদিন কাটবে
শুধু বেদনা বিধূর করুণার রুদ্ধ দ্বারে,
আমায় খুঁজে
না পেয়ে জীবন ভরবে চির অন্ধকারে।

প্রশ্ন করোনা- ৭

সাহাদাত মানিক

প্রশ্ন করোনা
কেন আমার আবেগের হাত তোমায় ছুঁতে চায় না আর
নিলামে চড়াই আমার অক্ষমতা, তোমার ভালবাসা,
কেন কান্নার নোনা জল শুকিয়ে হীরা হয়
কেটে ছিড়ে, রক্তাক্ত করে অন্ধের এই চোখ জোড়া;
কখন যে আবার ছুঁতে চায় তোমায়, আমার অচেনা হাত
তোমার চোখের দিকেই তাকাতে চাই অন্ধ আমি
কেন একবার উত্তরে, একবার দক্ষিণে বিরামহীন দৌড়ে চলি
প্রশ্ন করোনা।

প্রশ্ন করোনা
কেন ভীত কাপুরুষ আমি, যখন তখন কেঁপে উঠি
কেন ভাবি, বুক পাজরে কেউ আমার, ঘুমিয়েছে
কেন জাগাতেও ভয় হয় এই প্রাকৃতিক বন্য অরণ্যকে;
কেন খুঁজি কি দিয়ে পৃথিবীকে ছোট করে বুক পকেটে রাখা যায়
অথবা ভাবি বাতাসের কণা হবো, হয়ে জড়াবো তোমার গায়
কেন লুকাই, অথবা নিজেকে লুকিয়ে রাখি এই পৃথিবীতে
প্রশ্ন করোনা।

প্রশ্ন করোনা
কেন নিজেই নিজেকে দেখতে চাই না, আর সশরীরে
কেন শুনতে চাইনা নিজের কন্ঠের কোন মায়ার শব্দ
কেন আগে থেকেই হাত বাড়িয়ে থামিয়ে দেই শ্যাম স্তবকে
কেন বলি সবই কল্প কাহিনী আত্মার কি আত্মীয় হয়!
কেন বর্ণহীন মানুষ খুঁজি, নানান রঙের মানুষ মানুষে
প্রশ্ন করোনা।

প্রশ্ন করোনা
কেন আমি দাঁড়িয়ে সাত সাগর আর তের নদী’র ওপাড়ে
কেন আমি স্বচ্ছ নীল পানিতে বাদামীর ছোঁয়া খুঁজি
কেন বধির হই “সুরের আকাশে এ কোন শুকতারা”
কেন এখনও নতুন কাউকে দেখলেই বলি
তোমার পায়ে কি এতটুকু দেশের মাটি লেগে আছে?
লেগে আছে গায়ে, আমার বাউলির মাতাল হাওয়া!
কেন এমন অবুঝ শিশু হয়ে যাই
প্রশ্ন করোনা।

প্রশ্ন করোনা
কেন অভিমান হয় না আগের মত আর
কেন ভাবি, কি আর হতে পারে এই নির্বাসনের বাইরে
অথৈ পানি; বিশাল হাতী কি সামান্য শিকলে বাঁধা থাকে নাহ!
কেন পুড়ে যাই না, শিকলে বা ড্রাগনের অগ্নি নি:শ্বাসে
কেন একই সদর দরজা, নানান রঙে সাজাই প্রতিদিন
কেন নতজানু আমি আর মাথা তুলতে চাই না
দেখতে চাই না, অন্য কোন গ্রহ, তার দীর্ঘশ্বাস।
প্রশ্ন করোনা।

প্রশ্ন করোনা
আমার প্রিয় একলা চলার পথগুলি এখনো আছে কিনা
কে হাঁটে আমার সেই প্রিয় ধুলি মাখা পথে এখন
কেন সবুজ ফসলের মাঠ উজাড় হয় কালো ধোঁয়ায়
কেন কেরসিনের সন্ধ্যা প্রদীপ খুঁজি, মনে মনে জোনাকিদের
কেন এখনও খেয়া পাড়ি দিতে চাই তোমার সাথে
প্রশ্ন করোনা

গাঁয়ের সরু গলি পথে

লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী

গাঁয়ের সরু গলি পথে তাল পুকুরের ঘাটে,
পুকুরের ঘোলা জলে হাঁসেরা সাঁতার কাটে।

পথের ধারে আম বন, কাঁঠাল গাছের সারি,
সবুজ গাছের ছায়ায় ঘেরা ছোট মাটির বাড়ি।

গাঁয়ের সরু গলি পথে উঁচু বাঁশ গাছের ঝাড়,
কিনারায় চির চরে ঘেরা অজয় নদীর পাড়।

আম কাঁঠালের গাছে ছোট পাখিরা গান গায়,
খেজুর সুপারি গাছের সারি গাঁয়ের সীমানায়।

সরু গলি পথ দিয়ে দেখি মাটির কলসী কাঁখে,
জল নিতে আসে বধূরা, অজয় নদীর বাঁকে।

ধবল বলাকার সারি উড়ে ঐ আকাশের গায়,
সাঁঝের আঁধার নামে আমার নির্জন এই গাঁয়।

গাঁয়ে সরু গলি পথে রাতে লক্ষ্মী পেঁচারা ডাকে,
ভোরে রোজ কোকিল ডাকে আমগাছের শাখে।

জীবন

মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব

নিস্পলক চেয়ে থাকার নেশা
কুয়াশার কুন্ডলীর মত বয়ে যায় নদী স্রোঁত
আশার সমুদ্রে দোলখায় হৃদয়ের বটমূল
লাল নীল বেগুনি ফুল। পাঁপড়ির ভাঁজ খুলে
পুষ্পপুট ।দোলে বাসন্তির ফুলেল খোঁপা
জেগে উঠি,অস্ত যাই বেদনার সাদা বক
উড়ে যায়-আশার দিগন্ত নীলে……
খর পাতা ঝরে নিদ্রাহত চোখে,
নেমে আসে আবলুস আঁধার খন্ড এক ।
বয়ে চলি, ভেসে চলি তবুও
মাছদের সঙ্গমী ঠোঁট চুমে যায়-
অন্তহীন চলার গতি। কেননা জীবন তো চলমান ।
দুঃখে কাঁদি, ডুবে যাই সুখের অবগাহনে –
কেননা গতিই জীবন ;  জীবনই গতি ।
স্বপ্ন শিথানে জাগে স্বর্ণালী ভোর
বাস্পিত সুখ উড়ে – হিমেল বাতাসে
কোমল মমতায় জড়িয়ে থাকে ক্ষণ – মহাকাল
জীবনের স্পন্দন। নিয়ন বাতি……
যেন আসন্ন শীতে পশমি উলে পরম আদরে
আশ্রয় খুঁজে –
ষোড়শী মুনিরার স্তন যুগল ।
আর্দ্র মৃত্তিকার বুক আগলে রাখে-
কৃষকের স্বপ্নীল সবুজের ভ্রুণ ।

সময় শেষের ঘন্টা

মামুন আবদুল্লাহ

ভোগ বিলাসের স্বপ্নে বিভোর
স্যারের পুরো মনটা?
মাটির ‘পরে দাঁড়িয়ে করেন
আকাশ ছোঁয়ার পণটা!

সুযোগ বুঝে হাতটা ঘুরান
হাতিয়ে নিতে ধনটা,
এসব ভেবে অধীর থাকেন
কখন আসে ক্ষণটা?

একে একে পরখ করেন
আছে যতো পন্থা;
হেতু বুঝে হতে পারেন
মানুষ মারার হন্তা!

এমন করে ক ‘দিন খাবেন
একটু আমায় কন তা
কখন বাজে খোঁজ কী রাখেন
সময় শেষের ঘন্টা।।

তারাই সব

আব্দুল আহাদ

দ্যুলোক-ভূলোক লড়ুক তারা গণতন্ত্রের পিছে,
পদ আকাক্সক্ষাতে মরুক-মারুক দুঃখ নাহি তাতে।।

দল দ্বন্দ্ব আরাম-হারাম আমজনতার সব নিয়াছে কেড়ে।
মহারাজ  সকল পাপের প্রায়াশ্চিত্তা করে ঐ সকল কর্মী চামচার।

তারা আবার সাচ্ছন্দ্যে বসে পাঞ্চায়ত থেকে পার্লামেন্টে।
চারিদিকে ভাম্পার নেতা-নেত্রী হচ্ছে সর্বদার।

কুলিমজুর সবের আছে দল তাইতো তারা
আম জনতার ভাগ্য করিতে পারে অচল।

কতকার দাবী তার তাই অচল করে রাষ্ট্র সবার।
কেহ ধোলা কেহ ফুৎকার, ঘোলা জলের মৎস শিকার

তোমরা কারা সর্বজনতা দল ? জাননা!
আমরাই নেতা আমরাই বুর্জোয়া সকল দরজার চাবি।
তাইতো সকল দাঙ্গা হাঙ্গামার মালিক দলান্ধ কর্তা।